Author

ইন্টারনেটে আয়, ওয়েব ডিজাইন,

কিভাবে একজন মোটামুটি মানের ওয়েব ডিজাইনার হতে পারবেন

ওয়েব ডিজাইন এই কি-ওয়ার্ড নিয়ে শুধু গুগলে ই মাসে সার্চ হয় 100K – 1M । এই বর্তমানে প্রতি ১ মিনিটে  প্রায় ৫৭১ টি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করা হচ্ছে।  তার মানে, ঘণ্টায় ৩৪২৬০। এবার ভাবুন মাসে কতগুলো! বর্তমানে প্রায় বিলিয়ের উপরে অ্যাক্টিভ ওয়েবসাইট রয়েছে পৃথিবীতে।

  • শুধুমাত্র আমেরিকাতেই ২০.১+ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মার্কেট রয়েছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট খাতে
  • প্রতি মাসে পৃথিবীতে ১৬ মিলিয়নের বেশি ওয়েবসাইট তৈরি করা হচ্ছে
  • প্রায় ৭০ শতাংশ ওয়েবসাইট-ই প্রিমিয়াম হয় অর্থাৎ, কাউকে না কাউকে টাকা দিয়ে করানো হয়ে থাকে
  • একজন মোটামুটি মানের ওয়েব ডিজাইনার সহজেই মাসে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারে ।




চলুন শুরু করা যাক কিভাবে একজন মোটামুটি মানের ওয়েব ডিজাইনার হতে পারবেন?

অনেকেই মনে করে অমুক তমুক নামি দামি কোচিং সেন্টারে তিন মাস কোচিং করে আমি এক্সপার্ট ওয়েব ডিজাইনার হয়ে যাব বা তারা আমাকে এক্সপার্ট ডিজাইনার বানিয়ে দেবে । তাদের জন্য এক বস্তা সমবেদনা আর কোন কোচিং সেন্টার যদি আপনাকে এমন গ্যারান্টি দিয়ে থাকে তাহলে তারা হয়তো আপনাকে বড় ধরনের আবাল বানানোর প্রচেষ্টায় আছে ।


আমি stackoverflow এর একটা প্রতীবেদনে দেখেছিলাম ৬৯% বা তার বেশি ডিজাইনার কাজ শিখেছেন নিজে নিজে । তাহলে আপনি পারবেন না কেন ? একটা কথা একটু চিন্তা করেন তো যেখানে একটা জাতীয় মানের চাকুরী পাবার জন্য আপনাকে কি পরিমান জানতে বা শিখতে হয় । আর আপনি তো চাচ্ছেন আন্তর্জাতিক মানের কাজ করতে তাহলে আপনার কি পরিমান জানার বা শেখার প্রয়োজন । আমি এখানে যে টার্গেট টা আলোচনা করতেছি সেইটা ফলো করলে আপনি একজন মোটামুটি মানের ডিজাইনার হতে পারবেন ।আপনাকে মোটামুটি ২ ( দুই ) বছর কাজে শেখার পেছনে সময় দিতে হবে তার পর টাকা ইনকামের চিন্তা মাথাই আনাতে হবে। তার আগেও হয়তো টাকা ইনকাম করা সম্ভব কিন্তু আমি সাজেশন দিব আপনি ২ ( দুই ) বছর কাজে তখন আর আপনাকে কাজ পাওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। এই দুই বছরকে কাজ শেখার জন্য যে প্রসেস অনুসরণ করবেন ।






১ তিন মাসঃ প্রথম তিন মাস আপনি ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট রিলেটেড বাংলা বিভিন্ন ফোরাম ফেসবুক গ্রুপের ডক পরে একেবারে শেষ করে ফেলবেন। বুঝেন আর না বুঝেন সমস্যা নাই কিন্তু সব পড়ে ফেলবেন ।
২ তিন মাসঃ এই তিন মাসের প্রথম দুই মাস আপনি HTML, CSS, HTML5, CSS3 এইগুলা নিয়ে পড়াশুনা করবেন তার পরের এক মাস ব্যাসিক ওয়েব ডিজাইন নিয়ে পড়াশুনা করবেন এবং প্র্যাক্টিস করবেন ।
৩ তিন মাসঃ এই তিন মাসের আপনি PSD to HTML, Responsive web design, Bootstrap এবং বিভিন্ন jQuery প্লাগীনের ব্যবহার নিয়ে কাজ করবেন।
৪ তিন মাসঃ এই তিন মাস সময় আপনি JavaScript এর পেছনে ব্যয় করবেন । পাশাপাশি আগের গুলা অনুশীলন করবেন।
৫ তিন মাসঃ এই তিন মাস আপনি PHP এবং MySql এর পেছনে ব্যয় করবেন । পাশাপাশি আগের গুলা অনুশীলন করবেন।


এর পর টানা ৬ মাস আপনি যেইটা নিয়ে কাজ করতে চান Joomla বা WordPress বা Magneto বা অন্য যেইটা নিয়ে আপনি কাজ করতে চান সেইটা নিয়া কাজ করবেন। সাথে থাকবে সার্ভার নিয়ে কাজ করা, অনুশীলন করবেন আর আগের ব্যাপার গুলা ।


আর শেষের তিন মাস মার্কেটপ্লেস নিয়ে গবেষণা করবেন ।এই দুই বছর যাই শিখেন না কেন তার সাথে চলবে ইংরেজি চর্চা । আপনার দুই বছর শেষ। এইবার কাজ শুরু করে দেন ইনশাআল্লাহ্ আপনার আর পেছনে তাকাতে হবে না।
এই ভাবে বেশ কয়েক বছর কাজ করতে থাকেন, দেখবেন আপনি নিজেই এক সময় বুঝতে পারবেন আপনি একজন এক্সপার্ট ডিজাইনার হয়ে গেছে ।

হ্যাপি ফ্রীলাঞ্চিং …




সফটওয়্যার,

প্রয়োজনীয় সাইট এবং এক্সটেনশন যা সব সময় কাজে দিবে

আজকে আপনাদের সাথে প্রয়োজনীয় সাইট এবং এক্সটেনশন শেয়ার করব যা সব সময় কাজে দিবে । আমি নিজে ও এই সাইট এবং এক্সটেনশন ব্যবহার করি যা আমার কাজের গতি বাড়ায় ।




১। Grammarly যে কোন সাইটে চ্যাট করতে গেলে অনেক সময় ইংরেজিতে ভুল করে ফেলি। এটি ব্রাউজারে এড করা থাকলে কোথাও ভুল হলে রেড মার্ক করে দেখিয়ে দিবে এবং সঠিক কি হবে সেটাও দেখিয়ে দিবে।https://chrome.google.com/webstore/detail/grammarly-for-chrome/kbfnbcaeplbcioakkpcpgfkobkghlhen
২। Fontface Ninja যে কোন সাইট থেকে ফন্টের নাম, ব্যবহৃত কালার এবং সাইজ জেনে নিতে পারবেন।https://chrome.google.com/webstore/detail/fontface-ninja/eljapbgkmlngdpckoiiibecpemleclhh
৩। ImTranslator ব্রাউজারে এড করা থাকলে যেকোন লেখা শুধু ‍সিলেক্ট করেই ট্রান্সলেট করতে পারবেন এবং শুনতে ও পারবেন। https://chrome.google.com/webstore/detail/imtranslator-translator-d/noaijdpnepcgjemiklgfkcfbkokogabh
৪। Checker Plus for Gmail™ এটা ব্রাউজারে এড করা থাকলে ইমেইল আসলে নোটিফিকেশন বাজবে এবং জিমেইল ওপেন না করেই মেইল দেখতে পারবেন চাইলে ডিলেট করে দিতে পারবেন https://chrome.google.com/webstore/detail/checker-plus-for-gmail/oeopbcgkkoapgobdbedcemjljbihmemj
৫। Awesome Screenshot: Screen Video Recorder এটার সাহায্যে ব্রাউজারের স্ক্রিনশট নিতে পারবেন। https://chrome.google.com/webstore/detail/awesome-screenshot-screen/nlipoenfbbikpbjkfpfillcgkoblgpmj
৬। View Image গুগোলে ছবি সার্চ করে বড় করে দেখার জন্য View Image অপশন না থাকলে এটি এড করলেই View Image অপশন পাবেন। https://chrome.google.com/webstore/detail/view-image/jpcmhcelnjdmblfmjabdeclccemkghjk
কিছু প্রয়োজনীয় সাইট।
আইকোন ফন্ট




কালার
প্যাটার্ন, ব্রাশ
ভেক্টর
ছবি
একের ভিতর সব




সফটওয়্যার,

প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সাইজে অনেক ছোট কিন্তূ অনেক কাজে লাগে

সফটওয়্যার মাধ্যমে আমরা কাজ কে সহজ ও দ্রুত করতে পারি । আজকে এমন কিছু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ডাউনলোড লিংক সহ আপনাদের সাথে শেয়ার করব যেগুলো সাইজে অনেক ছোট কিন্তূ অনেক কাজে লাগে ।আমি নিজে ও এই সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করি।

১। Pixie মাত্র ৮ কিলোবাইট, সেটআপ দিতে হয়না, যে কোন যায়গায় রাখলেই চলে। ওপেন থাকলে মাউস/কার্সার যেখানেই রাখেন সেখানকার কালার কোড দেখতে পারবেন।
ডাউনলোড: http://bit.ly/2rXhZLF

২। Everything পিসিতে/ল্যাপটপে অনেক ফাইল থাকে, কাজের সময় ফাইল খুজতে গেলে মাথা নষ্ট হয়ে যায়। Everything পিসিতে থাকলে ফাইলের শুধু প্রথম ১-২ অক্ষর লিখলেই সব চলে আসবে। যতই নিচে চাপা পরে থাকুক না কেন।
ডাউনলোড: http://bit.ly/2KJikt7

৩। Save as PDF and XPS যারা এখনো মাইক্রোসফট ২০০৭ ব্যবহার করেন যার ফলে ওয়ার্ড থেকে সরাসরি PDF এ সেভ করতে পারেন না। এই এক্সটেনশন সেটআপ দিলে সরাসরি PDF ফাইলে সেভ করতে পারবেন।
ডাউনলোড: http://bit.ly/2IzQx1E

৪। PSD Codec পিসি/ল্যাপটপে ফটোশপ/ইলাষ্ট্রেটর ফাইলগুলোর Thumbnail এ ফটোশপ বা ইলাষ্ট্রেটর এর লোগো দেখা যায়। PSD Codec সেটআপ দিলে সবফাইলের Thumbnail এ ফাইলের ভিতরে কি আছে সেটা দেখতে পারবেন।
ডাউনলোড: http://bit.ly/2GzlM76

৫। Easeus Data Recovery ছোট এবং কার্যকরী একটি ডাটা রিকোভারি সফটওয়ার।
ডাউনলোড: http://bit.ly/2rVYqE3

৬। Silicon Power Formatter পেনড্রাইভ/মেমোরি যেগুলো অনেক কারণে ফর্মেট হয় না বা কোন ধরণের ফাইল আদান প্রদান করা যায় না। সেগুলো এটি দিয়ে ফর্মেট করতে পারবেন।
ডাউনলোড: http://bit.ly/2kaOqmb

৭। Rufus পেনড্রাইভ Bootable করার জন্য ছোট একটি সফটয়ার। খুব সহজেই পেনড্রাইভ Bootable করা যায়।
ডাউনলোড: http://bit.ly/2IB4rMG

৮। EaseUS Partition Master কোন ধরণের ঝামেলা ছাড়াই, Heard Drive এর পার্টিশন ফমের্ট/ডিলেট বা নতুন পার্টিশন বানাতে পারবেন। উইন্ডোজ দিতে হবে না, নতুন করে।
ডাউনলোড: http://bit.ly/2rX7dpx

 

পোস্টটি আপনার ফেসবুক এ শেয়ার করতে ভুলবেন না ।

ফ্রীলাঞ্চিং,

ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে ৭ টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, ৭ নং তথ্যটি আপনাকে জানতেই হবে…

  1.  ফ্রীল্যান্সিং মানে হচ্ছে একজনের কাজ অর্থের বিনিময়ে অন্য কাউকে হায়ার করে তাকে দিয়ে করানো। দেশ বিদেশের ছোট-বড় অনেক কোম্পানীই তাদের খরচ কমানোর জন্য পার্মানেন্টলি ওয়ার্কার না রেখে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তাদের কাজগুলো কোন লোক দিয়ে করিয়ে নেয়, যারা এই কাজ গুলো দেয় তাদের বলে বায়ার বা ক্লাইন্ট, আর যারা এই কাজগুলো করে তাদের বলে ফ্রীল্যান্সিং, আর এই পুরো প্রসেসকে বলা হয় ফ্রীল্যান্সিং
  2.  অনেকের কাছেই কিন্তু এইটা খুব কঠিন মনে হয়, অনেকে ভাবেন নেটে কাজ করা মানে না জানি কত্তো কঠিন কিছু?!!
    • কিন্তু বিষয়টা মোটেও জটিল কিছু না, এভাবে ভাবুনতো- ধরুন ফেসবুকে আপনি ফ্রেন্ডদের সাথে চ্যাট করতে পারেন, ভিডিও তে কথা বলতে পারেন এটা কি কঠিন কিছু? মোটেও নয়, ঠিক একই ভাবে ক্লাইন্টদের সাথেও চ্যাট করার মাধ্যমে কাজ নিতে পারবেন এবং আপনার কম্পিউটারে কমপ্লিট করে তাকে জমাও দিয়ে দিতে পারবেন
  3.  এইভাবে কাজ সম্পন্ন করার পরে ক্লাইন্ট আপনাকে টাকা পরিশোধ করবে- টাকা নিয়ে আসার সবচাইতে সহজ উপায় হচ্ছে- লোকাল ব্যাংক ট্রান্সফার, এর মাধ্যমে আপনি ক্লাইন্টের টাকা সরাসরি আপনার ব্যাংকে ট্রান্সফার করতে পারবেন, তবে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অবশ্যই অনলাইন ভিত্তিক হতে হবে, উল্লেখ্য, আমাদের দেশের সকল বেসরকারী ব্যাংক ই অনলাইন সাপোর্টেড
  4.  অনেকেই বলে থাকে পেপাল ছাড়া টাকা তোলা যায় না, কিন্তু কথাটা ১০০% সত্যি নয়, খুব বড় ধরনের অ্যামাউন্ট এর জন্য সাধারণত পেপাল লাগে কিন্তু ছোটখাট এমনকি কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত আপনি সরাসরি ব্যাংক এই নিয়ে আসতে পারবেন কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই এবং এছাড়াও ফ্রী Payoneer মাস্টার কার্ড দিয়েও পেমেন্ট তোলা যায় খুব সহজেই
  5.  ফ্রীল্যান্সিং কোন স্বল্প সময়ে ধনী হওয়ার মন্ত্র নয়, পরিশ্রম করতে পারলেই কেবল এই সেক্টরে আসতে হবে, এখানে আসার সময় হাতে কমপক্ষে ৬ মাস থেকে ১ বছরের প্ল্যান নিয়ে আসতে হবে
  6.  সঠিক ভাবে পরিশ্রম করতে পারলে ৩ মাসেও ইনকাম করা সম্ভব আর সঠিকভাবে না করতে পারলে ৩ বছরেও টাকার মুখ দেখবেন না
  7.   ফ্রীল্যান্সিং করতে গেলে সহজ তিনটি স্টেপ ফলো করলেই হবেঃ
    • প্রথমে বিভিন্ন কাজ সম্পর্কে জানুন, বুঝুন এবং ঠিক করুন কি কাজ শিখবেন, সেটা শিখে ফেলুন
    • প্রচুর প্র্যাক্টিস করুন এবং পোর্টফোলিও বিল্ড করুন, দক্ষতা অর্জনের জন্য বড় ভাইদের সাথে দুই একটা ফ্রী প্রোজেক্ট করুন, প্রয়োজনে কাউকে ফ্রীতে কয়েকটা প্রোজেক্ট অফার করুন
    • এবার কাজে আবেদন করার সময় আপনার পোর্টফোলিও শো করে বিড করুন, দেখবেন কাজ পেতে কষ্ট পেতে হবেনা………
ইন্টারনেটে আয়, ফ্রীলাঞ্চিং,

আপওয়ার্ক সহ ইন্টারনেট কাজ পাবার গুরুত্বপূর্ন টিপস (নতুনদের জন্য):

“নতুন আইডি খুলছি কাজ পাচ্ছি না, ভাই বিড করি কাজ পাই না, অনেক দিনই তো হলো কাজ পাচ্ছি না, নতুন আইডিতে কাজ পাওয়া যায় না, আমার দ্বারা মনে হয় আর কাজ পাওয়া হবে না, ভুরি ভুরি বিড করে আইডি সাসপেন্ড হয়েছে, ভাই বিড করে কোনে রেস্পপন্স পাই না।”

এই সকল সমস্যার সমাধান করতে হলে আপানাকে কিছু পদক্ষেপ অনুসরন করতে হবে আমি সেগুলা পয়েন্ট আকারে লিখছি:




১। অসীম ধৈর্য্য: আপনাকে অসীম ধৈর্য্যশীল হতে হবে। আপনাকে ধরে নিতে হবে কাজ পেতে আপনার ২দিন, ২মাস বা ২ বছর ও লেগে যেতে পারে। অনেক লিজেন্ড আছে যাদের কাজ পাইতে ১ বছরের অধিক সময় লাগছে।

২। প্রোফাইল সাজানো: নতুনদের জন্য কাজ পাবার প্রথম এবং প্রধান পদক্ষেপ হচ্ছে প্রোফাইল সাজানো। আপনার প্রোফাইল এমনভাবে সাজাতে হবে যেন, ক্লায়েন্ট দেখেই বুঝতে পারে আপনি প্রোফেশনাল। এর জন্য আপনি ১০-১৫ জন প্রোফেশনাল ফ্রিলান্সার এর প্রোফাইল দেখে নিতে পারেন তবে অনুরোধ কপি-পেস্ট করবেন না, তাহলে সব জলে যাবে।(শুধুমা্ত্র প্রোফাইল সাজানো নিয়ে ব্রিফ আলোচনা করবো পরবর্তি পোস্টে।)

৩। সক্রিয়তা: নতুনদের জন্য কাজ পাবার দ্বিতীয় পদক্ষেপ হচ্ছে সক্রিয়তা। আপনি যতবেশী একটিভ থাকবেন আপনার কাজ পাবার সম্ভাবনা ততবেশী।যেমন: আপনি হয়তো একটা কাজে বিড করলেন, বিড করেই আপনি অফ-লাইন হয়ে গেলেন। এখন ক্লায়েন্ট এমন কাউকে ইন্টাভিউ এর জন্য কেন ডাকবে, যে কিনা অফ-লাইনে আছে। সুতরাং মোবাইল হোক বা কম্পিউটার যেকোনভাবে আপনাকে দিনের অধিকাংশ সময় অনলাইন থাকতে হবে। একটিভ থাকার জন্য মোবাইল এ্যাপস ব্যবহার করতে পারেন।

৪। বিডের জন্য জব নির্বাচন: ইচ্ছামত, না বুঝে যেকোন কাজে বিড করলে আপনি কোন দিনই কাজ পাবেন না। কাজ পাবার ৭০% নির্ভর করে জব নির্বাচন করার উপর। যে কাজ আপনি পারেন না, যে কাজে ক্লায়েন্ট এক্সপার্ট লেবেলের ফ্রিলান্সার চাইছে, যে কাজে ক্লায়েন্ট নির্দিষ্ট কোয়ালিফিকেশন চাইছে(৯০% জব সাকসেস, রাইজিং টেলেন্ট, ১০০+ ঘন্টা ইত্যাদি) সেই সকল কাজ থেকে প্রথম অবস্থায় দূরে থাকুন। আপনি যদি আপওয়ারর্কে প্রচুর সময় দিয়ে জব পোস্ট দেখে থাকেন তাহলে দেখবেন প্রতিদিনই কিছু সহজ জব আসে যেগুলোতে ক্লায়েন্ট অনেক ফ্রিলান্সার হায়ার করে এমনকি বলেই দেই সে নতুন ফ্রিলান্সার চাই, আপনি সেই জবগুলাই বিড করতে পারেন।




৫। প্রোপজাল লেটার বা কাভার লেটার: হ্যা, নতুনদের জন্য কাভার লেটার অনেক গুরুত্বপূর্ন। কাভার লেটারে শুধুমাত্র জব রিলেটেড এবং জবের জন্য দরকারী কথাবার্তা লিখবেন অন্য আজাইরা কথাবার্তা পরিহার করুন। যেন আপনার কভার লেটার পড়েই ক্লায়েন্ট বুঝতে পারে আপনি এই কাজটা করতে পারবেন এবং এই কাজে এক্সপার্ট। আর জবপোস্টে যদি প্রশ্ন থাকে তবে ওইগুলোর উত্তর অবশ্যই ঠিকমত দিতে হবে। বেশীর ভাগ ক্লায়েন্ট ঐ প্রশ্নের উত্তর দেখেই হায়ার করে।

৬। গবেষনা: উপরের পয়েন্টগুলা সবাই মোটামুটি জানেন বাট কেউ ফলো করেন কেউ করেন না। মনে রাখবেন নতুন কাজ শুরু করতে গেলে একটু কষ্ট করতেই হবে। আপনি শুধুমাত্র উরের পয়েন্টগুলা না, আপনি নিজে নিজেও চিন্তা করেন যে, আপনি কেন কাজ পাচ্ছেন না। গবেষনা করুন আপনার কোথায় সমস্যা আছে, কভার লেটার ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ট্রাই করুন তবে অবশ্যই কাজ রিলেটেড। আপনার প্রোফাইলের কোথায় সমস্যা আছে খুজে বের করুন। হতাশ না হয়ে হতাশার কারন খুজুন।




ইন্টারনেটে আয়, ফ্রীলাঞ্চিং,

ফ্রিল্যান্সিং হলো ধৈর্য নিয়ে লেগে থাকা আর হতাশ না হওয়া।

ফ্রিল্যান্সিং মানেই ঘরে বসে মাসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করা নয়। জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতা, এই প্রতিযোগিতায় সবাই জয়ী হতে চাই কিন্তু শেষ পর্যন্ত একজনই প্রথম হয়। আমরা সবাই জয়ী হতে চাই কিন্তু পরাজয় থেকে প্রকৃত শিক্ষাটা আর নেই না।




যেমন দৌড় প্রতিযোগিতায় সবাই কিন্তু একসাথেই শুরু করে দৌড়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেবল একজনই থাকে যে সবার আগে পেরিয়ে যায় ফিনিশিং লাইন। ছোট্ট একটা দৌড়, পাঁচ মিনিটেরও না, অথচ এর প্রস্তুতির পেছনে কত অজস্র ঘণ্টার পরিশ্রম মিশে থাকে! যেই মানুষটা প্রথম হলো, দেখা যাবে অন্যরা যখন ঘুমাচ্ছে সে তখন ঠিকই একাকী মাঠে ঘাম ঝরিয়েছে দৌড়ের প্রস্তুতিতে। জীবনের সব ক্ষেত্রেই এমন, সাফল্য পেতে হলে অন্যদের চেয়ে বেশি উদ্যম থাকতেই হবে।
অন্যদের থেকে নিজেকে আলাদা করতে হলে পরিশ্রমটাও অন্যদের চেয়ে বেশিই দিতে হবে জীবনে। বড় হওয়ার প্রচন্ড ইচ্ছাই মানুষকে বড় করে তোলে।” এই লেখাটি প্রথম চোখে পরে যখন আমি প্রথমবার ঢাকা শহরে আসি। প্রায় প্রতিদিনই মনে পড়ে এবং এটাই সত্য। ধৈর্য নিয়ে লেগে থাকলে কোন কিছুই অসম্ভব নয়। অতএব লেগে থাকুন আর চেষ্টা চালিয়ে যান!
এবার আসি আপওয়ার্কের কথায়, এইখানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অনেক সফল ফ্রীলান্সার রয়েছে এবং তাঁরা সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। প্রত্যেক সফল ফ্রিল্যান্সারের সফল হওয়ার পিছনে এক একটি গল্প বা এক একটি ইতিহাস আছে।
যেমন কত রাত না ঘুমিয়ে থাকা, নাওয়া খাওয়া বাদ দিয়ে কাজ করা, বন্ধু বা পরিবারের আড্ডা থেকে নিজেকে বিরত রাখা, অনেক আপনজনের কল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও না ধরা কাজের জন্য, কাজের জন্য কোথাও বের হতে না পারা, বেশিরভাগ সময় নিজেই নিজেকে ভুলে যাওয়া, আমি কি মানুষ না মেশিন ইত্যাদি মনে হওয়া। আরো কত কি…..বলে বুঝানো যাবে না।




আপওয়ার্ক এ যারা সফল ফ্রীলান্সার একমাত্র তাঁরাই বুঝতে পারে এই সফলতার পিছনে রয়েছে কত পরিশ্রম আর কত ত্যাগ।
আর এখন দিন যত যাচ্ছে, প্রতিযোগিতাও বেড়ে যাচ্ছে। অতএব আপওয়ার্কে সফল হতে হলে পরিশ্রমের বিকল্প নেই, একাগ্রচিত্তে লেগে থাকার বিকল্প নেই। নিজেকে কখনো ছোট বা আমাকে দিয়ে কিছু হবে না এমনটা কখনো ভাববেন না। এই হীনমন্ম্যতাই আপনাকে আরো পিছিয়ে দেয়। জীবনে সফল হতে গেলে নিজেই নিজেকে আগে ভালোকরে জানতে হবে। নিজের দোষগুলো বের করার চেষ্টা করতে হবে। লেগে থাকুন আর নিজের ভুল থেকে প্রকৃত শিক্ষাটা নিতে শিখুন।
ইন্টারনেটে আয়, ফ্রীলাঞ্চিং,

ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে ভুল ধারনা সময় থাকতে ফিরে আসুন টাকা ও সময় বাঁচান

ইন্টারনেটে আয় করুন ঘরে বসে মাসে হাজার টাকা । আপনি এই রকম অনেক চটকদার বিজ্ঞাপন দেখতে পারবেন যদি আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এর এখন ত ইন্টারনেট ছাড়া রাস্তা ঘাটে ও এই রকম বিজ্ঞাপন দেখা যায় । তবে নতুন বেশিভাগ মানুষ ই ভুল পথে চলে যায়। ফ্রীলান্সিং কিংবা আউটসোর্সিং যাই বলুন না কেন তরুন প্রজন্মের প্রায় বেশীরভাগের কাছে এ নিয়ে কৌতূহল দিন দিন বেড়েই চলছে । চাকরি নামক সোনার হরিণ দিনে দিনে দুর্মূল্য হয়ে ওঠায় তরুন থেকে বয়স্ক বিশেষ করে বেকারদের কাছে আগ্রহের বিষয়ে পরিনত হয়েছে। এই পোস্ট এর মাধ্যমে জানতে পারবেন “ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে ভুল ধারনা




  • ইনভেষ্ট করে আয় করা

হ্যা, ইনভেষ্ট করে আয় করা যায় ! আবার সর্বশান্তও হওয়া যায় । পিটিসিতে,হাইপে ইনভেষ্ট করে অনেকেই ধরা খেয়েছে ।ইদানিং ফরেক্স ক্রেজ শুরু হয়েছে । ফরেক্সে যেমন প্রচুর আয় করার লোভনীয় হাতছানি আছে আবার না বুঝে করলে ব্যাপক লসেরও সম্ভাবনা আছে ।

  • রেফারেলের মাধ্যমে আয় করা

আমাদের অনেকেরই একটা বদঅভ্যাস আছে সেটা হলো- যাচাই বাছাই করার দরকার নেই, আমি শুনেছি আমার এক বন্ধুর মামার চাচার এক দুঃসম্পের্কের এক ফুফাতো ভাইয়ের ছোটভাই একটা সাইট থেকে ১ ডলার ইনকাম করেছে আগামী মাসের ৩০ তারিখে সে পেআউট করবে আ্যালার্টপেতে । কোনভাবে তার কাছথেকে সাইটের আ্যাড্রস নিয়ে সাইনআপ করি এবং বড় বড় কমিউনিটি সাইটগুলোতে রেফারেল লিংকসহ পোষ্ট দেই, স্প্যাম কমেন্ট দেই । নিজে তো ধরা খাচ্ছিই, অন্যরা যাতে ধরা খায় তার জন্য আন্তরিকভাবে সকল ব্যাবস্হা গ্রহন করছি ! ভাবখানা  এমন “আসুন সকলে মিলিয়া সকলের জীবন অতিষ্ঠ করিয়া তুলি ।”

  • খুব সহজে, বিনা পরিশ্রমে ইন্টারনেটে আয় করা যায়

এটা সবচেয়ে বড় ভুল ধারনা। আপনি আশা করছেন একজন চাকুরীজীবী কিংবা ব্যবসায়ীর থেকে বেশি আয় করবেন অথচ পরিশ্রম করবেন না এটা বাস্তবসম্মত হতে পারে না। ইন্টারনেটে যে পদ্ধতিতেই আয় করুন না কেন, আপনাকে যথেস্ট সময় এবং মেধা ব্যয় করতে হবে।

  •  ইন্টারনেটে আয় করা সকলের পক্ষে সম্ভব না

এটা আরেকটা বড় ভুল ধারনা। ইন্টারনেটে কাজ বলতে যেমন দক্ষ প্রোগ্রামিং বুঝায় তেমনি তুলনামুলক সহজ গ্রাফিক ডিজাইন বুঝায়, কিংবা আরো সহজ ডাটা এন্ট্রি বুঝায়। যে কোন শিক্ষিত মানুষের পক্ষে মানানসই কাজ খুজে নেয়া সম্ভব। তবে একথা অবশ্যই ঠিক, দক্ষতা যত বেশি আয়ের সুযোগ তত বেশি। দক্ষতা যেহেতু বাড়ানো যায় সেহেতু সুযোগও বাড়ানো যায়।

  • পেইড-টু-ক্লি (PTC) সহজে আয়ের কার্যকর পদ্ধতি

পিটিসি হচ্ছে কোন ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক করবেন আর আপনার নামে টাকা জমা হবে। বিষয়টি সত্যি। তবে যতটা প্রচার করা হয় ততটা না। আপনি কতগুলি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন সেটা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়। কাজ করে টাকা না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।




  • ইন্টারনেটে আয় করতে নিজের খরচে ওয়েবসাইট তৈরী করতে হয়

একেবারে বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী করা যায়। কাজেই ওয়েবসাইট তৈরী, ডোমেন কিংবা হোষ্টিং এর খরচ ছাড়াই সব কাজ করা সম্ভব। তবে নিজস্ব ডোমেন-হোষ্টিং সবসময়ই ভাল।

  • ক্রেডিট কার্ড বা পে-পল একাউন্ট নেই, ফলে একাজ সম্ভব না

কিছুটা সত্যি। ক্রেডিট কার্ড থাকলে কাজের সুবিধে হয়, পে-পল একাউন্ট থাকলেও সুবিধে হয়। তারপরও মানুষ কাজ করছে এগুলি ছাড়াই। অন্য যে পদ্ধতিগুলি রয়েছে সেগুলি ব্যবহার করে কাজ করা সম্ভব।

  •  অনেকগুলি সাইটে অনেকগুলি এডসেন্স ব্যবহার করলে আয় বেশি

এডসেন্সে লাভ দেখে অনেকেই একাধিক এডসেন্স একাউন্ট ব্যবহারে আগ্রহি হন। এটা ভুল পথ। গুগল কোনএকসময় সেটা ধরে ফেলবে এবং সবগুলি একাউন্ট বন্ধ করে দেবে।

  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে দ্রুত আয় বাড়ে

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে অবশ্যই সাইটের পরিচিতি বাড়ে কিন্তু এডসেন্সকে টার্গেট করে যদি সেটা করেন তাহলে গুগল সেটা পছন্দ করে না। গুগল এমন সাইটে লাভজনক এডসেন্স বিজ্ঞাপন দেয় সেখানে ভিজিটর নিজে আগ্রহি হয়ে যায়। ফলে কোন সাইটে প্রতি ক্লিকে পাওয়া যায় কয়েক সেন্ট, কোন সাইটে কয়েক ডলার।

  • ইন্টারনেটে আয়ের জন্য কোন খরচ নেই

বিনামুল্যের সবসময়ই কিছু খারাপ দিক থাকে। ভাল হোষ্টিং, প্রয়োজনীয় সফটঅয়্যার, প্রচারের জন্য এডওয়ার্ডস বিজ্ঞাপন সবকিছুই ভাল আয়ের সহায়ক।

  • ইন্টারনেটে আয়ের ক্ষেত্রে ভৌগলিক সীমারেখা নেই

অনেক সেবার ক্ষেত্রেই অনেক দেশে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বাংলাদেশে যেমন পে-পল ব্যবহার করা যায় না, ক্লিক ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যায় না, কোন কোন সাইটে ঢোকা যায় না ইত্যাদি। কোন সেবা কোনদেশে প্রযোজ্য আগে জেনে নেয়াই ভাল।

  • ইন্টারনেটে কিভাবে কাজ করতে হয় শেখার জন্য কোর্স করা প্রয়োজন

আপনি যখন আয় করতে চান ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তখন শেখার জন্যও ইন্টারনেট সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন যায়গা। যে বিষয়ই জানতে চান না কেন, ইন্টারনেট সার্চ করলে তথ্য পাওয়া যাবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সদস্য হোন, ফোরামে যোগ দিন, সেখানকার বক্তব্যগুলি বোঝার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে সেখানে সমস্যার কথা জানান। কেউ না কেউ উত্তর দেবেন।




ওয়েব ডিজাইন,

ব্যবসা ছোট হলেও ১০ কারণে আপনার ওয়েব সাইট থাকতেই হবে

ওয়েব সাইট শব্দ টা আগে আমাদের কাছে খুব পরিচিত ছিল না। খুব কম মানুষ ই এই ওয়েব সাইট সম্পর্কে জানত । কিন্তূ এখন সময় পরিবর্তন হয়ছে। আমাদের দেশে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে, বাড়ছে ব্যবসা। কিন্তু ঠিক কতটি ব্যবসা প্রতিদিন প্রযুক্তির কাছে আসছে? সংখ্যাটা খুব একটা বেশী না। কারণ আমাদের অনেকেরই ধারণা যে ব্যবসায় প্রযুক্তির ব্যবহার এখনও বাংলাদেশে এতটা গুরুত্বপূর্ণ না। আপনার ধারণাও যদি এমনটিই হয়ে থাকে, তাহলে ভূল ভাবছেন। কারণ দিন বদলাচ্ছে প্রতি দিনই। মানুষ এখন অনেক বেশী প্রযুক্তি নির্ভর। আর তাই আপনার ব্যবসা যত বড় বা ছোট হোক, ওয়েব সাইট আপনার লাগবেই। যদি এখনও কারণ খুজে না পান, পড়তে থাকুন, আমি মাত্র ১০টি পয়েন্ট দিয়ে আপনাকে বোঝানোর চেষ্টা করব। তাই আমার আজকের এই পোস্ট এর শিরোনাম “ব্যবসা ছোট হলেও ১০ কারণে আপনার ওয়েব সাইট থাকতেই হবে” । চলুন শুরু করি ।




১. প্রচার

বলা হয়ে থাকে প্রচারেই প্রসার। আপনি যা নিয়ে ব্যবসা করছেন, আপনার ওয়েব সাইট হচ্ছে সেই ব্যবসার জন্য আপনার একটি বিজনেস কার্ড। যেখানে মানুষ চাইলেই আপনার সকল পন্য অথবা সেবা সম্পর্কে জানতে পারবে, পারবে আপনার অফিসের লোকেশন, অথবা আপনার ফোন নম্বর পেতে। জানতে পারবে আপনার পন্য বা সেবাই কেন বেছে নিবে।আপনার ওয়েবসাইট থেকে হাজার হাজার মানুষ যেকোনো সময় আপনার সেবা কিংবা ব্যবসা  সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবে কিন্তূ আপনি কি আপনার অফিস এ লোক দিয়ে এ মানুষ কে একসাথে এই সেবা দিতে পারবেন ?

২. সহজ প্রাপ্যতা

আগেই অবশ্য এই কথাটা বলে ফেলেছি, তবুও বলছি। ওয়েব সাইট মানে আপনাকে সহজেই পাওয়া যাবে। ধরেন আমি থাকি কল্যানপুরে, আর আপনার ব্যবসা উত্তরায়। আপনার ওয়েব সাইট থাকলে আমি আপনাকে সহজেই খুজে পাব, সেটা নিউ-ইয়র্কে হলেও, কিন্তু ওয়েব সাইট না থাকলে কি হতে পারে তা তো সহজেই বুঝতে পারছেন।প্রত্যেকটা ওয়েবসাইট এর কিছু মৌলিক পেজ কিংবা বাংলা বললে ওয়েবসাইট এর পাতা থাকে । এই যেমন Home, About, Services, Portfolio, Contact. এই Contact পেজের মাধ্যমে আপনাকে ও আপনার ব্যবসা প্রতিস্তান সহজেই খুজে । কারন প্রত্যেক টা ওয়েবসাইট এর Contact পেজ এ ইমেইল, ফোন নাম্বার, লোকেশান সাথে গুগল ম্যাপ দেওয়া থাকে।

৩. ব্যবসা খোলা দিনের ২৪ ঘন্টা, সপ্তাহে ৭দিন, বছরে ৩৬৫ দিন

আপনি কি আপনার ব্যবসা  কে ২০ ঘন্টা চালু রাখতে পারবেন । আপনার হয়ত একটা স্টোর নিবেন, খোলা রাখবেন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত, কিন্তু ওয়েব সাইট তো খোলা থাকবে ২৪ ঘন্টা। আপনাকে হয়ত কাষ্টমার ফোন করতে পারবে সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত, কিন্তু আপনার কন্টাক্ট পেইজ খোলা থাকবে ২৪ ঘন্টাই। এমনকি ছুটির দিনেও, বা আপনি যদি ছুটিতে দেশের বাইরেও থাকেন, তবুও কাষ্টমার আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারবে সহজেই। এই আপনি অবশ্যই অন্যদের চেয়ে বেশি ব্যবসা  করবেন যাদের ওয়েবসাইট নেই ।

৪. আপনার ব্যবসার জন্য এটা একটা স্টাইল

ধরেন এই মুহূর্তে আপনি একটা পন্য হাতে পেলেন, কিন্তু পন্যটি কি করে ব্যবহার করতে হবে তা জানেন না। আপনি কি করবেন? আমি চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারি যে আপনি এটার ব্যবহার কি করে করে তার জন্য তাদের ওয়েব সাইট খুজবেন। কিন্তু যদি ঐ পন্যের কোন ওয়েব সাইট না থাকে? তাহলে আপনি ধরেই নিবেন যে এটার আসলে অবস্থা ভাল না। ঠিক তেমনিই আপনার পন্য বা সেবার জন্য যদি কোন ওয়েব সাইট না থাকে, তাহলে আপনিও কাষ্টমারের মনে জায়গা করতে পারবেন না। কিন্তু আপনার একটি ওয়েব সাইট আপনাকে আলাদা একটি স্টাইল দিবে, যার ফলে আপনি সহজেই আপনার কাষ্টমারকে আকৃষ্ট করতে পারবেন।



৫. আপনার সময় বাচাঁনোর উপায়

আপনার ওয়েব সাইটে আপনি সহজেই আপনার পন্য/সেবার সব বিস্তারিত তুলে ধরতে পারেন, আর লিষ্ট করতে পারেন সচরাচর কাষ্টমাররা যা জিজ্ঞাসা করে তা, এবং তার উত্তর যাকে Frequently Asked Questions (FAQ) বলে। আর এটি করাতে আপনি সহজেই আপনার কাষ্টমারকে জানাতে পারবেন আপনার প্রোডাক্টের সব বিস্তারিত। বার বার এর জন্য আপনাকে ফোন কলের উত্তর করা বা ইমেইলের উত্তর করতে হবে না।

৬. বাড়াবে কাষ্টমার সার্ভিস; বাড়াবে বিশ্বাস

ওয়েব সাইট থাকা আপনার কাষ্টমারকে ভাল কাষ্টমার সার্ভিসের বিষয়ে আশ্বস্ত করে। আর আগে যেমনটা বলেছি, FAQ এর মাধ্যমেই হয়ত কাষ্টমার অনেক সার্ভিস পেয়ে যাবে, আর তাতে বাড়বে কাষ্টমার সার্ভিসের মান। আর ফোরাম তৈরী করে অন্য কাষ্টমারদের কাছ থেকে যাতে তারা সাহায্য পেতে পারে, তারও ব্যবস্থা করতে পারেন।

৭. আপনার অনলাইন শো-রুম

আপনার ব্যবসা কোন সেবা বা পন্যই হোক না কেন, আপনি চাইলেই আপনার সব কিছু এখানে রাখতে পারেন যাতে সবাই তা দেখতে পারে। ধরনে আপনি একজন ওয়েব ডিজাইনার, আপনার কাজের স্ক্রীণশট, বা লিংক আপনি সহজেই দিয়ে রাখতে পারবেন, তার ফলে একজন আপনার সাইটে এসেই দেখতে পারবে আপনার কাজ। আবার হয়ত আপনি বুটিকস সপ দিয়েছেন, আপনার সব পন্য দাম সহ এবং কি কি সাইজ, কি কি রং এ পাওযা যায় সবই রাখতে পারবেন আপনার ওয়েব সাইটে। আর যদি আপনার ব্যবসা বায়িং হাউজের হয়, তাহলতো ওয়েব সাইট লাগবেই লাগবে।

৮. টার্গেট করুন আর একটু বেশী

এলাকায় একটা স্টোর মানে শুধু এলাকাতেই বিক্রি, এলাকাতেই পরিচিতি, কিন্তু ওয়েব সাইটের মাধ্যমে সহজেই আপনি অন্য এলাকাতেও পরিচিতি পেতে পারেন। আচ্ছা, আপনি হয়ত এখন বলবেন যে আপনার ব্যবসার এমন অবস্থা না যে অন্য এলাকায় যাবেন, কিন্তু একটু হিসাব করুন। ধরেন আপনার একটা চা-বার আছে, অন্য এলাকা থেকে একজন এখানে এসে যদি গুগলে সার্চ দেয় আড্ডা দেবার জায়গার খোজে, আর পেয়ে যায় তাহলে ঐ লোক হয়ত আপনা কাছেই আসবে।

৯. আপডেটেড রাখুন সবাইকে

নিজের ওয়েব সাইটে যখন একজন রেজিষ্ট্রেশন করছে, বা সাবস্ক্রাইব করছে, তখন আপনি পেয়ে যাচ্ছেন তার ইমেইল এড্রেস, এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে কারও ফোন নম্বর। আর তাদেরকে আপনি চাইলেই এর পর থেকে আপনার কোন পন্যের আপডেট বা নতুন কোন পন্যের তথ্য জানাতে পারবেন সহজেই। এমনকি কোন অফার, কোন ছাড়া, বা কোন উপহার চাইলেও দিতে পারেন এখান থেকে।

১০. একটি ওয়েব সাইট টাকা বাচাঁয়

এই বিষয়টা নিয়ে যদি বিস্তারিত আলোচনা করা লাগে, তাহলে আমি বলব উপর থেকে আবার পড়ুন, আবার ভাবুন। একটা ওয়েব সাইট থাকার ফলে আপনি যা যা সহজেই করতে পারবেন তা কি অন্য কিছুতে পাবেন? বা পেলেও কত খরচ পড়বে? এটা হিসাব করে শেষ করতে পারবেন না। একটা ওয়েব সাইট বানাতে প্রাথমিক ভাবে সর্বমোট ১০-২০ হাজার টাকা লাগে, আর বছরে লাগে ২০০০-৪০০০ টাকা, যা আপনার পত্রিকা বিলের থেকেও কম। কিন্তু এটি আপনাকে প্রচারণার এবং সাফল্যের অন্য এক মাত্রায় নিয়ে যাবে। যা আপনি টাকার অংকে কখনই হিসাব করতে পারবেন না।

আশাকরি সবার লেখাটি কাজে লাগবে, এবং সাহায্য করবে। বিশেষ করে যারা দ্বিধাদন্দে আছেন যে আপনার ব্যবসার জন্য ওয়েব সাইট করবেন কি করবেন না, তাদের সহোযোগীতা করবে। আমার সাজেশন, ব্যবসা আছে, আর ওয়েব সাইট করাবেন না, তা উচিত না।

আমি নিজে একজন ওয়েব ডিজাইনার, করেছি বিভিন্ন ওয়েব সাইট ডিজাইনের কাজ। দেখেছি ছোট ছোট কম্পানি কি ভাবে এগিয়ে যায় তাদের ব্যবসা নিয়ে, তাই আমি বলব, আপনার ব্যবসা আছে, মানে আপনার একটি ওয়েব সাইট দরকার। আবার একটি ওয়েব সাইট দরকার মানে সুন্দর সুগঠিত ওয়েব সাইট দরকার। তা যেন কোন ভাবেই এমন না হয় যে কাষ্টমার আপনার সাইটে এসে খারাপ একটা ধারণা নিয়ে চলে গেল। আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন




ওয়েব ডিজাইন,

সুরক্ষিতঃ আমি ফয়সাল ওয়েব ডিজাইনার ,ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার, ফ্রীলাঞ্চার

এই বিষয়বস্তু পাসওয়ার্ড দ্বারা সুরক্ষিত। এটি দেখতে আপনার পাসওয়ার্ড দিন: